ওই জরিপে আরো উঠে এসেছে, দেশের মোট জনসংখ্যার ৮৮ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, তবে নিজস্ব মোবাইল ফোন রয়েছে ৬৪ দশমিক ৪ শতাংশের। অন্যদিকে, কম্পিউটার ব্যবহারের হার এখনও খুবই সীমিত—মাত্র ১১ দশমিক ৩ শতাংশ।
গত তিন মাসে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৬৪ দশমিক ৪ শতাংশ সরকারি চাকরি সংক্রান্ত তথ্য খুঁজেছেন, যা সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খেলাধুলা সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধান, যা ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এ ছাড়া ১১ দশমিক ৬ শতাংশ ব্যবহারকারী অনলাইনে কেনাকাটা করেছেন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিবিএস কার্যালয়ে ‘আইসিটি ব্যবহারের সুযোগ ও প্রয়োগ পরিমাপ’ শীর্ষক প্রকল্পের জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
ওই জরিপে বলা হয়, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও দক্ষতা ও ব্যবহারের ধরনে বৈচিত্র্য এবং বৈষম্যের চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে ইন্টারনেট ব্যবহারে মৌলিক দক্ষতার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় কপি-পেস্ট করার প্রবণতা, যা ৮৪ দশমিক ৪ শতাংশ ব্যবহারকারীর মধ্যে বিদ্যমান।
জরিপে আরো দেখা যায়, দেশে ব্যক্তি পর্যায়ে মোট ৫৩ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। তবে এই ব্যবহারে শহর ও গ্রামের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে।
ওই জরিপে আরো উঠে এসেছে, দেশের মোট জনসংখ্যার ৮৮ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, তবে নিজস্ব মোবাইল ফোন রয়েছে ৬৪ দশমিক ৪ শতাংশের। অন্যদিকে, কম্পিউটার ব্যবহারের হার এখনও খুবই সীমিত—মাত্র ১১ দশমিক ৩ শতাংশ।
এ ছাড়া, উচ্চমূল্যের কারণে ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ নাগরিক ইন্টারনেট সেবা গ্রহণে অনাগ্রহী বলে জানিয়েছেন, যা ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির পথে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জরিপের এ ফলাফল থেকে স্পষ্ট, দেশে ইন্টারনেটের প্রসার ঘটলেও এর সুষম ব্যবহার, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সাশ্রয়ী সেবার নিশ্চয়তা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।