ময়মনসিংহের মদনে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির ভ্রণের ডিএনএ টেস্টের তথ্য গুজব বলে জানিয়েছে র্যাব।
বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহে র্যাব-১৪ এর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান র্যাব-১৪ এর কমান্ডিং অফিসার (সিও) নায়মুল হাসান।
তিনি বলেন, ডিএনএ টেস্ট হয়নি। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা অবশ্যই সেটা করবেন।
তদন্তের স্বার্থে যা যা করা দরকার সেটা করবেন।
শিশুটির ভ্রুণের ডিএনএ টেস্ট করা হয়েছে— এমন অবৈজ্ঞানিক তথ্য মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্রখ্যাত স্যোশাল ইনফ্লুয়েন্সারসহ অনেকে তাদের ফেসবুক আইডি থেকে এমন তথ্য পোস্ট করেন। এই গুজবের ভিত্তিতে দাবি করা হয়েছিল, ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষকের সম্পর্ক নেই।
তবে পরদিন র্যাব জানায়, মঙ্গলবার রাতে তাদের একটি দল ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সোনমপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ভোর ৪টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আমান উল্লাহ নেত্রকোনার মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ওই মাদরাসায় পড়ত ধর্ষণের শিকার শিশুটি।
গত বছরের ২ অক্টোবর আমান উল্লাহ তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর গত ১৮ এপ্রিল নেত্রকোনার একটি বেসরকারি হাসপালে পরীক্ষার পর শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। এ ঘটনায় ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা মদন থানায় মামলা করেন।