শিরোনামঃ

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ জাতীয়ভাবে পালনে পরিপত্র জারি

অনলাইন ডেক্স
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ জাতীয়ভাবে পালনে পরিপত্র জারি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ জাতীয়ভাবে পালিত হবে। এ লক্ষ্যে সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলোর তালিকায় দিনটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের ‘ক’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আরেকটি পরিপত্র জারির মাধ্যমে এ সংশোধন এনেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।এতে বলা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, প্রতিবছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হবে।এ জন্য ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ১১ মার্চ জারি করা পরিপত্রের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবসের তালিকায় যথাস্থানে সন্নিবেশিত হিসেবে গণ্য হবে।

 

ওই সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে পরিপত্রে।

সর্বশেষ গত ১১ মার্চ সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো পালন নিয়ে নতুন পরিপত্র জারি করা হয়। সেখানে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের বিষয়টি ছিল না।এ ছাড়া বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এই দিবসের কোনো স্বীকৃতি ছিল না।

 

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত সিপাহী-জনতা বিপ্লবের স্মরণে পালিত হয়। কর্নেল (অব.) আবু তাহেরের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানে জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান, পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় আসেন।‌ জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের আমলে মূলত ৭ নভেম্বর বাংলাদেশে সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়।এই বিপ্লবের বিরোধী ও সমালোচক গোষ্ঠী, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ বিপ্লবীদের আক্রমণে খালেদ মোশাররফসহ আরো কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর প্রতিবাদে এই দিনটিকে ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে।

জরুরী বিজ্ঞপ্তি: বিঃদ্রঃএই ওয়েব সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।